ক্রেমোটোগ্রাফি কি ?
-
ক
পৃথকীকরণ পদ্ধতি
-
খ
রাসায়নিক পদ্ধতি
-
গ
শোষণ পদ্ধতি
-
ঘ
তরল পদ্ধতি
পৃথকীকরণ পদ্ধতি।
ক্রোমাটোগ্রাফি হল একটি পদ্ধতি যা মিশ্রণের উপাদানগুলিকে তাদের আণবিক বৈশিষ্ট্যগুলির উপর ভিত্তি করে পৃথক করতে ব্যবহৃত হয়। ক্রোমাটোগ্রাফিতে, একটি মিশ্রণকে দুটি পর্যায়ে বিভক্ত করা হয়: একটি স্থির পর্যায় এবং একটি মোবাইল পর্যায়। স্থির পর্যায় হল একটি কঠিন বা তরল পদার্থ যা মিশ্রণের উপাদানগুলিকে ধরে রাখে। মোবাইল পর্যায় হল একটি তরল বা গ্যাস যা মিশ্রণের উপাদানগুলিকে বহন করে।
ক্রোমাটোগ্রাফির বিভিন্ন ধরন রয়েছে, যার প্রত্যেকটিতে বিভিন্ন ধরণের স্থির এবং মোবাইল পর্যায় ব্যবহৃত হয়। তবে, সমস্ত ক্রোমাটোগ্রাফি পদ্ধতির মধ্যে একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে: মিশ্রণের উপাদানগুলি স্থির পর্যায়ে বিভিন্ন হারে স্থানান্তরিত হয়। এই হারটি মিশ্রণের উপাদানগুলির আণবিক বৈশিষ্ট্যগুলির উপর নির্ভর করে।
ক্রোমাটোগ্রাফি একটি শক্তিশালী পৃথকীকরণ পদ্ধতি যা বিভিন্ন ধরণের মিশ্রণকে পৃথক করতে ব্যবহৃত হয়। এটি রসায়ন, জীববিজ্ঞান, চিকিৎসা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
ক্রোমোটোগ্রাফির অর্থ হল বর্ণচিত্ৰণ । রুশ বিজ্ঞানী সোয়েট উদ্ভিদ থেকে ক্লোরোফিল নামক রঙিন যৌগ পৃথক জন্য এ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। যে বিশ্লেষণ মূলক পদ্ধতিতে জৈব যৌগের দুই বা ততোধিক উপাদানের কোনো মিশ্রণ অপর একটি সচল মাধ্যমকে উক্ত স্থির মাধ্যমের সংস্পর্শে প্রবাহিত করে মিশ্রণের উপাদানগুলোকে অধিশোষণ মাত্রা কিংবা বন্টন সহগের উপর ভিত্তি করে এদেরকে বিভিন্ন স্তরে পৃথক করার পদ্ধতিকে ক্রোমোটাগ্রাফি বলে। ক্রোমোটাগ্রাফিতে দুটি মাধ্যমে থাকে
১. স্থির মাধ্যম
২. সচল মাধ্যম।
সাধারণত তরল বা গ্যাসীয় পদার্থ সচল মাধ্যম হিসাবে এবং কঠিন পদার্থকে স্থির মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করা হয়। প্রথমে মিশ্রণের উপাদানগুলোকে একটি উপযুক্ত দ্রাবকে দ্রবীভত করা হয় এবং স্থির মাধ্যমের উপর প্রয়োজন মতো যোগ করা হয়। অতঃপর মাধ্যমকে স্থির মাধ্যমের সংস্পর্শে প্রবাহিত করা হয়। স্থির মাধ্যম যদি কঠিন পদার্থ হয় তাহলে অধিশোষণ মাত্রার উপর ভিত্তি উপাদানগুলো বিভিন্ন স্তরে পৃথক হয়ে যায়।
কোনো উপাদান স্থির মাধ্যমের অধিশোষক দ্বারা কতটা অধিশোষিত হবে তা নির্ভর করে উপাদানের গঠন প্রকৃতির উপর। উপাদানটি যত বেশি পোলার হবে এর অধিশোষণ মাত্রাও তত বেশি হবে।
যেমন: −COOH>−OH>−NH2>−CHO>−CO−>=C=C=
যদি স্থির মাধ্যম তরল পদার্থ হয় তখন এর মধ্যে সচল মিশ্রণের উপাদানগুলোর বন্টন সহগের উপর ভিত্তি করে উপাদানগুলো বিভিন্ন স্তরে ভাগ হয়ে যায়।
ক্রোমোটোগ্রাফিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
(ক) অধিশোষণ ক্রোমোটাগ্রাফি: (Adsorption chromatography)
১। কলাম ক্রোমোটোগ্রাফি (column chromatography)
২। পাতলাস্তর ক্রোমোটোগ্রাফি (thin layer chromatography)
(খ) বন্টন বা বিভাজন ক্রোমোটোগ্রাফি : (partition chromatography)
১। পেপার ক্রোমোটোগ্রাফি (paper chromatography)
২। গ্যাস ক্রোমোটোগ্রাফি (gas chromatography)
Rf বা Retardation Factor Value
R হলো রক্ষণ বা ধারণ গুণাঙ্ক। সাধারণত TLC এবং পেপার ক্রোমোটোগ্রাফিতে Rf এর মান নির্ণয়ের মাধ্যমে কোনো মিশ্রণের উপাদানগুলোকে শনাক্ত করা হয়। একটি নির্দিষ্ট সময় পর ভিত্তি রেখা থেকে কোনো একটি উপাদান কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্ব এবং দ্রাবক কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্বের অনুপাতকে ঐ উপাদানের Rf বলে।
Rf=দ্রাবককর্তৃকঅতিক্রান্তদূরত্ব কোনোউপাদানকর্তৃকঅতিক্রান্তদূরত্ব
Rf এর বৈশিষ্ট্য:
১। এটি একটি আনুপাতিক রাশি হওয়ায় এর কোনো একক নেই।
২। Rf এর মান সবসময় 1 থেকে কম হয়।
৩। দ্রাবকের প্রকৃতির উপর Rf এর মান নির্ভরশীল।
A উপাদানের Rf=ca
এবং B উপাদানের Rf=cb
Related Question
View Allক্রোমাটোগ্রাফির (Chromatography) কয়টি পর্যায় (Phase) আছে?
-
ক
03
-
খ
02
-
গ
04
-
ঘ
01
ক্রোমাটোগ্রাফি হলো -
-
ক
মিশ্রণ পদ্ধতি
-
খ
সংযোজন পদ্ধতি
-
গ
পৃথকীকরণ পদ্ধতি
-
ঘ
শীতলীকরণ পদ্ধতি
-
ক
1
-
খ
2
-
গ
3
-
ঘ
4
-
ক
পৃথকীরন পদ্ধতি
-
খ
রাসায়নিক পদ্ধতি
-
গ
শোষণ পদ্ধতি
-
ঘ
তরল পদ্ধতি
-
ক
কলাম ক্রোমাটোগ্রাফি
-
খ
পাতলা-স্তর ক্রোমাটোগ্রাফি
-
গ
পেপার ক্রোমাটোগ্রাফি
-
ঘ
গ্যাস-তরল ক্রোমাটোগ্রাফি
-
ক
অধিশোষন ক্রোমাটোগ্রাফি
-
খ
বিভাজন ক্রোমাটোগ্রাফি
-
গ
পেপার ক্রোমাটোগ্রাফি
-
ঘ
তরল ক্রোমাটোগ্রাফি
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!